আবারো শুরু হয়েছে প্রো-অফার! নামমাত্র মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করুন ঘরে বসেই। বিস্তারিত

Pay with:

অনুবাদ চর্চা : The Daily Star সম্পাদকীয়র (পার্ট – 63 )

Barbarism against children continues
শিশুদের প্রতি পাশবিকতা বেড়েই চলেছে
Society must rise against this now
এখনই সমাজকে এটির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।
.
Barbaric treatment of children, the most vulnerable group in society, has become a dangerous trend these days; the horrific beating of two young boys for being suspected of stealing a mobile, attests to this.

সমাজের সবচেয়ে অসহায়ভুক্তদের মধ্যে শিশুদের প্রতি পাশবিকতা বর্তমানে বিকট আকার ধারণ করেছে; একটি মোবাইল চুরির সন্দেহে দুই কিশোরকে ভয়ানকভাবে প্রহার তার সাক্ষর বহন করে।
.
The terrifying murders of Rajon and Rakib, both children mercilessly tortured to death by grownups, continue to haunt us.

রাজন ও রাকিবের ভয়ানক হত্যাকান্ডে উভয়কেই প্রাপ্তবয়স্কদের দ্বারা মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে অত্যাচার করা হয় , যেটি আমাদের তাড়া করে।
.
The fact that two of the assaulters of this case, were members of security and law enforcement agencies, makes this all the more reprehensible for if the protectors of law become ruthless torturers of children, what hope have we that this malaise will be eliminated?
আশ্চর্যের বিষয় এই ঘটনায় নির্যাতনকারীদের মধ্যে ২জন হলো নিরাপত্তা ও আইনশৃৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য যেটি এটিকে অধিকতর নিন্দনীয় করেছে , যদি আইনের রক্ষকই শিশুদের নিষ্ঠুর নির্যাতনকারী হয় ,তাহলে এই সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে আমরা কি কোন আশা করতে পারি?
.
The two children were picked up and inhumanly beaten in order to extract a confession to the theft.
শিশু দুটিকে আটক করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য অমানসিকভাবে প্রহার করা হয়েছে।
.
A video footage, uploaded in social media, that shows the two members of security forces taking part in the beating, helped to make the incident public.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোডকৃত ভিডিও চিত্রে দেখা যায় নিরাপত্তাবাহিনীর দুজন সদস্য নির্যাতন করছে , যেটি ঘটনাটি জনগণের সামনে তুলে ধরতে সহায়তা করেছে।
.

We can only wonder how many other children are victims of such violence everyday and have to suffer in silence.
আমরা শুধু আশ্চর্যান্বিত হতে পারি যে প্রতিদিন কতগুলো অন্য শিশুরা এই ধরণের নির্যাতনের শিকার হয় এবং নীরবে অত্যাচার ভোগ করতে বাধ্য হয় ।
.
This despicable trend displays degeneration in moral values and a rise in brutalisation that is extremely toxic to the very fabric of society.
এই ধরণের ঘৃণ্য প্রবৃত্তি নৈতিক অধ:পতনকে এবং পাশবিকতা বৃদ্ধি সমাজকাঠামোর গভীরে মারাত্মক বিষ থাকাকে নির্দেশ করে।
.,
It is therefore crucial that the legal system must circumvent all elements that may put such cases in the backburner.
অতএব,এই ধরণের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য আইনী ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করা অত্যাবশ্যক ।
The society moreover, must rise against this evil that threatens the lives of our children.
অধিকন্তু , আমাদের শিশুদের জীবনের জন্য যে ব্যাধিটি হুমকিস্বরুপ তার বিরুদ্ধে সমাজকে অবশ্যই রুখে দাঁড়াতে হবে।
Mass awareness regarding child rights and public shaming of these acts of brutality, have to be initiated and carried out all over the country.
দেশ ব্যাপী শিশু অধিকার সম্পর্কে ও জনগন যাতে এইধরণের পাশবিকতাকে ঘৃণা করে সে জন্য গণ সচেতনতা বাড়াতে হবে।

 

   
   

0 responses on "অনুবাদ চর্চা : The Daily Star সম্পাদকীয়র (পার্ট - 63 )"

Leave a Message

Certificate Code

সবশেষ ৫টি রিভিউ

eShikhon Community
top
© eShikhon.com 2015-2022. All Right Reserved