আবারো শুরু হয়েছে প্রো-অফার! নামমাত্র মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করুন ঘরে বসেই। বিস্তারিত

Pay with:

আইফোন এর আই ক্লাউড অপশন ভূলে গেলে কি করবো?

আইফোন আনলক করতে হলে
১. প্রথমে জেইল ব্রেক করতে হবে।
২. এর পর সেটিকে হ্যাক করতে হবে।
৩. এর পর নেটওর্ক আনলক হলে স্যাম ইন্সটল করে এক্টিভেট করতে হবে।
এখন বলি কোনটা কি কারনে করতে হয়।
জেইল ব্রেক: জেইল ব্রেক করা হলে আপনার আইফোনের ভেতরে যেসব জেল আছে সেগুলো ভাংতে হবে হাতুরি নিয়ে বসুন।
না, ভয় পাবেন না। মজা করলাম। কোন কিছু ভাংতে হবে না। আইফোন জেইল, ধরে নিন একটি ফায়ারওয়ালের মতো। এটি থাকার কারনে আপনার আইফোনে এপল অনুমোদিত নির্দিষ্ট কিছু সফটওয়ার ছাড়া আর কিছু ইন্সটল করা যায় না। আপনি নিশ্চিত জানেন যে এপলের দোকানে এসব সফটওয়ার পাওয়া যায়। কিন্তু হ্যাক করার সফটওয়ার তো আর এপলের দোকানে বিকোবে না। তাই প্রথমেই জেইলব্রেক করে আপনার আইফোনে এপলের অনুমোদিত সফটওয়ারের বাইরের একটি সফটওয়ার ইন্সটল করতে হবে।
হ্যাক: জেইলব্রেক করা হয়ে গেলে আপনার আইফোন প্রস্তুত হ্যাক হওয়ার জন্য। হ্যাক করার পর নেটওর্ক আনলক করতে হবে। এটিও ওই হ্যাকিং এর অংশ।
স্যাম: হ্যাক করার পরই আপনি যে কোন নেটওর্কে আপনি আপনার আইফোন ব্যবহার করতে পারবেন। তাহলে স্যামের দরকার কি? আছে। সেটি হলো হ্যাক করার পর নেটওর্ক ব্যবহার করা যায় ঠিকই, তবে এটি এক্টিভেট না করা পর্যন্ত এপলের সাইটে বারবারই পুশ সার্টিফিকেটের জন্য নক করতে থাকবে। এক্টিভেট করা যায় অরিজিনাল সিমকার্ডটি ব্যবহার করে অথবা আর্টিফিসিয়াল সাবস্ক্রাইবার মডিউল ব্যবহার করে। স্যাম হলো আর্টিফিসিয়াল।

আইফোন আনলক করার জন্য অনেকগুলো সফটওয়ার আছে। আমরা সহজ একটি পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবো।
আপনার লাগবে আইওএস ৪.১ -এটি কারন এর পর আপডেট করে খুব বেশি কিছু পাবেন না। আমি এটি দিয়েই করেছি।
লাইম রেইন নামের একটি সফটওয়ার। এটি উইন্ডোজে চলে বলে বেছে নেওয়া হল।
ডাটা কেবল
আইফোন
ওয়াইফাই ইন্টারনেট
প্রথম কাজ আইওএস ইন্সটল করা। এটি তাদের জন্যই দরকার যাদের ওএস ভার্সন পুরাতন এবং ওই পুরাতন ভার্সন আপডেট করতে চান। যাদের ওএস ৪ বা বেশি তারা এই অংশ না পড়ে সোজা জেইল ব্রেক টিউটোরিয়াল অংশে চলে যান।
সফটওয়ার আপডেট: যদি আপনার ওএস আপডেট করতে হয় তাহরে ৪.১ এর উপরে যাওয়া ঠিক হবে না। এপলের সাইট থেকে ৪.১ ডাউনলোড করে ফেলুন। কিভাবে করবেন সেটা এখানে জানতে হলে আপনার দোকানে চলে যাওয়াই দরকার। ফাইলটা পিসিতে কোথাও সেভ করে, আইটিউন দিয়ে আইফোন আপডেট কর মনে রাখতে হবে আইটিউন দিয়ে সরাসরি ইন্টারনেট থেকে আপডেপ দেবেন না। তাহলে ৪.৩ ওএস ইন্সটল হয়ে যাবে। আবার বলছি, যদি আপনার আইফোন ‘আনলক’ করার ইচ্ছে থাকে তাহলে ৪.১ এর উপরে না যাওয়াই উচিত। আমি আগের টিউটোরিয়ালে আনলক এবং জেইল ব্রেকের পার্থক্য বলেছি। আবার নতুন করে বলার ইচ্ছে নাই।
আইটিউন দিয়ে ওএস ৪.১ আপডেটের সময় শিফট বাট চেপে রিস্টোর কর এ বিষয়ে অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন। যদি এর পরও কেউ না পারেন তাহলে পরে এক সময় এটি শিখিয়ে দেবো।
আপনার আপডেটের কাজ শেষ হলে জেইল ব্রেক করতে হবে।
জেল ব্রেক করার কাজে লাইম রেইন বা Limera1n নামে একটি সফটওয়ার ব্যবহার করবো আমরা। লাইম রেইন দিয়ে মোটামুটি সব আইওএস, আইফোন৪, আইফোন ৩জিএস, আইপড টাচ ৪জি, থ্রিজি, আইপ্যাডের ওএস ৪.১, ইত্যাদি ইত্যাদি জেইলব্রেক করা সম্ভব। আপাতত এটিই আমাদের প্রথম হাতিয়ার।
আরেকটি কথা, আপনার মডেম ফার্মওয়ার আপডেট করবেন না। মানে আইটিউন্স ব্যবহার করে সোজা ফার্মওয়ার আপডেট দিয়েছেন তো মরেছেন। তাহলে কি করবেন? যেটি আছে তাই জেল ব্রেক করতে হবে।
প্রথমেই http://limera1n.com/ এ ঢুকে উইন্ডোজের জন্য কিংবা দরকার হলে ম্যাকের জন্য লাইমরেইনটা নামিয়ে ফেলুন। ছোট একটি সফটওয়ার। সময় লাগবে না মোটেই।
ডেটা কেবল দিয়ে আপনার ডিভাইস কানেক্ট কর এবং লাইম রেইন চালান। ছোট একটি উইন্ডোতে আসবে make it rain, ক্লিক কর
এখানে আপনাকে DFU বা ডিপ ফার্মওয়ার আপডেট মোডে ঢুকতে হবে। অনস্ক্রিন নির্দেশনা পালন কর
যা আসবে সেটি বলে নেই এখানে। আবারো বলছি, এই অংশটুকু আপনি লাইম রেইনের স্ক্রিনেই পাবেন।
প্রথমে হোম এবং পাওয়ার বাটন চেপে ধরতে হবে।
তিন চার সেকেন্ড পর পাওয়ার বাটন ছেড়ে দিতে হবে। (হোম বাটন নয় কিন্তু)
এরপর বাকি কাজ সফটওয়ার শেষ করবে। আপনাকে জানান দেবে জেইল ব্রেক করা হয়েছে।
ফোন রিস্টার্ট দেওয়ার পর আপনি আপনার ফোনে লাইমরেইন নামে নতুন একটি আইকন পাবেন। সবুজ পানির ফোটার মত দেখতে হবে এটি।
এবার আপনার দরকার হবে ওয়াইফাই কানেকশন। কারন আপনার ফোনে এখনো কোন সিমকার্ড কাজ করছে না। তাহলে ওয়াইফাই-এ কানেক্ট করে আপনার ফোনে নতুন ইন্সটল করা লাইমরেইন ওপেন কর
যখন লাইম রেইন প্যাকেজ সিলেক্ট করতে বলবে, আপনার হাতে তখন আসলে একটাই অপশন। সাইডিয়া বা cydia। ওটাই সিলেক্ট কর
ওয়াইফাই দিয়ে সাইডিয়া ডাউনলোড হয়ে ইন্সটল হবে। অপেক্ষা কর আপানার ইন্টারনেট কানেকশনের স্পিডের উপর নির্ভর করবে কতক্ষন লাগবে। সাধারন ১০-১৫ মিনিটেই হয়ে যায়। স্পিড ভালো হলে ২-১ মিনিট।
সাইডিয়া ইন্সটল হয়ে গেলে আপনি চাইলে, লাইমরেইনে ঢুকে ওটা আনইন্সটল করে দিতে পারেন। কারন এটি আপনার আর দরকার নেই। আর চাইলে রেখেও দিতে পারেন।
আপনার ফোন জেইল ব্রেক হয়ে গিয়েছে।
এখানে এডভান্স ইউজারদের জন্য বলি, জেইল ব্রেকের জন্য আরো সফটওয়ার আছে, আপনারা চাইলে খুজে বের কর
শুধু জেইল ব্রেকেই আপনার হয়ে গেলে আপনি এখানেই পড়া শেষ করে দিতে পারেন। আপনি যদি আইফোনের জন্য নির্ধারিত ফোন কোম্পানীই ব্যবহার করতে চান কিন্তু হয়তো আপনার এপলের সাইন ছাড়া সফটওয়ার ইন্সটল করা দরকার তাহলে আপনার এই জেইল ব্রেক দরকার হবে।
কিন্তু আমরা যারা আইফোন আনলক করতে চাই, তাদের এই জেইল ব্রেকের পরও আরো কিছু কাজ বাকি আছে। জেইল ব্রেক করা হলো ফোন আনলক করার সফটওয়ার গুলো ইন্সটলের জন্য।
এজন্য আমাদের দরকার সাইডিয়া।
ওয়াইফাই কানেক্ট করে সাইডিয়া চালু কর
যাই দেখাক না কেন, নিচে দেখুন লেখা আএ সাইডিয়া, সেকশনস, চেঞ্জেস, ম্যানেজ এবং সার্চ।
ম্যানেজ ট্যাবে টাচ কর
এরপর দেখবেন লেখা আছে প্যাকেজেজ, সোর্সেজ, স্টোরেজ
সোর্সেজ এ টাচ কর
উপরে দেখুন টাচ করার দুটি জায়গা, ম্যানেজ এবং এডিট
এডিটে ক্লিক কর
উপরে বামে দেখুন ‘এড’
টাচ কর এবং ঠিকানু লিখুন http://repo666.ultrasn0w.com
কোন ভুল যেন না হয়। এড কর
এরপর সাইডিয়া বেশ কিছু কাজ করবে।
কাজ শেষ করে আল্ট্রাস্নো চালু কর
এবারে আপনি আপনার আইফোনে যেকোন সিম কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
স্যাম: অনেক সময় পুশ সার্টিফিকেটের জন্য ব্যাটারী ড্রেন আউট হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেজন্য আপনাকে স্যাম ইন্সটল করতে হবে। এটি আইফোনকে বিকল্প ভাবে এক্টিভেট করে দেবে। যেভাবে আল্ট্রাস্নো ইন্সটল করেছেন সেভাবেই স্যাম ইন্সটল করতে হবে। এজন্য এড সোর্স-এ গিয়ে http://repo.bingner.com এটি এড কর
‘SAM’ এবং ‘SAMPrefs’ ইন্সটল কর
এবার আইফোনের সেটিংস এ গিয়ে দেখুন ‘স্যাম’ পাবেন।
স্যামের সেটিংস এ গিয়ে “Revert Lockdownd to Stock” এ ক্লিক কর
শেষ হলে, আবার সেটিংস এ গিয়ে ‘De-activate iPhone’. সিলেক্ট কর
এর পর আবার এক্টিভেট কর
আশা করি পুশ সার্টিফিকেটের সমস্যা সমাধান হবে।
ধন্যবাদ।
যাদি এখানে কোন তথ্য ভুল থাকে দয়া করে জানাবেন আপডেট করে দেবো। আর নতুন কোন আইডিয়া থাকলেও জানাবেন।
আর এটি একটি পদ্ধতি। আইফোন আনলক করার জন্য অনেক অনেক সফট আছে। দয়া করে সব কিছু ভালো করে পড়ে কাজটি করার চেষ্টা করবেন। শুধু এই টিউটোরিয়াল নয়, যদি পারেন আরো আরো খুজে বের করে আবার পড়ুন। তার পর কাজে হাত দিন।
আমি এখানে দেখাতে চেষ্টা করেছি আইফোন আনলকের জন্য ধাপগুলো কি কি হবে। আমি নিজে এভাবে পাইনি, অনেক পড়ে বুঝে তারপর করতে পেরেছি। আপনি এখন জানের ধাপগুলো কি কি। তাই ওই সব ধাপ নিয়ে আরো পড়ুন দয়া করে।
শেষ বার বলছি,
১. ওএস আপডেট। আপনার ফোনে লেটেস্ট ওএস থাকলে ওএস আপডেট দরকার নেই। মডেম ফার্মওয়ার আপগ্রেড করবেন না।
২. জেইল ব্রেকের জন্য আমরা ব্যবহার করেছি লাইম রেইন। এছাড়াও আরো আছে, যেমন গ্রীন পয়জন
৩. জেইল ব্রেক হয়ে গেলে সাইডিয়া দিয়ে আল্ট্রাস্নো।
৪. এরপর স্যাম দরকার তখনই যদি আপনি ব্যাটারী ডেনেজ সমস্যায় পড়েন নাহলে নয়।
সব শেষে বলছি, যাই কর নিজের চেষ্টায় এবং নিজের দায়িত্বে কর ছবি দিতে পারলাম না। তবে যতটুকু পেরেছি বর্নণা করেছি।
আপডেট: ৩ এপ্রিল ২০১১
আজকে ব্রাউজ করতে গিয়ে টেকটিউনেও দেখলাম আনলক নিয়ে কথা বার্তা। চাইলে দেখতে পারেন।http://techtunes.com.bd/mobileo/tune-id/59870
আপডেট ৪, ৯ই জানুয়ারী ২০১২
আইফোন ৩জিএস, ৪, আইপড টাচ ৩জি এবং ৪ জি এবং আইপ্যাড ১ এর ওএস ৪.৩ এর জেল ব্রেক এখন চাইলে jailbrealMe.com এ গিয়ে করে নিতে পারবেন। এতে আপনার কোন পিসির দরকার হবে না।
জেইল ব্রেক এবং আনলক বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে পারেন:
http://blog.iphone-dev.org/
http://jailbreakqa.com/
http://www.iclarified.com/
http://modmyi.com/jailbreak/
আপডেট ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২ নিচের লিংক থেকে আইওএস ৫.০১ এর আনলক টিউটোরিয়াল দেখে নিতে পারেন। বাংলা টিউটোরিয়ার ওএস ৪.১ পর্যন্ত কাজ করবে। এর পরের ভার্সন আনলক করা শিখতে লিংকে ক্লিক কর
Click This Link
আপডেট ৩০-১০-২০১১: টিউটোরিয়াল এখন অনেক পুরাতন হয়ে গিয়েছে। আইওএস ৪.১ পর্যন্ত কাজ করবে। শুধু মাত্র রেফারেন্স হিসেবে নেট-এ রইলো
এখানে পড়ার আগে দয়া করে আগের পর্বটি পড়ে নিন।এখানে
আইফোন আনলক করার জন্য অনেকগুলো সফটওয়ার আছে। আমরা সহজ একটি পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবো।
আপনার লাগবে আইওএস ৪.১ -এটি কারন এর পর আপডেট করে খুব বেশি কিছু পাবেন না। আমি এটি দিয়েই করেছি।
লাইম রেইন নামের একটি সফটওয়ার। এটি উইন্ডোজে চলে বলে বেছে নেওয়া হল।
ডাটা কেবল
আইফোন
ওয়াইফাই ইন্টারনেট
প্রথম কাজ আইওএস ইন্সটল করা। এটি তাদের জন্যই দরকার যাদের ওএস ভার্সন পুরাতন এবং ওই পুরাতন ভার্সন আপডেট করতে চান। যাদের ওএস ৪ বা বেশি তারা এই অংশ না পড়ে সোজা জেইল ব্রেক টিউটোরিয়াল অংশে চলে যান।
সফটওয়ার আপডেট: যদি আপনার ওএস আপডেট করতে হয় তাহরে ৪.১ এর উপরে যাওয়া ঠিক হবে না। এপলের সাইট থেকে ৪.১ ডাউনলোড করে ফেলুন। কিভাবে করবেন সেটা এখানে জানতে হলে আপনার দোকানে চলে যাওয়াই দরকার। ফাইলটা পিসিতে কোথাও সেভ করে, আইটিউন দিয়ে আইফোন আপডেট কর মনে রাখতে হবে আইটিউন দিয়ে সরাসরি ইন্টারনেট থেকে আপডেপ দেবেন না। তাহলে ৪.৩ ওএস ইন্সটল হয়ে যাবে। আবার বলছি, যদি আপনার আইফোন ‘আনলক’ করার ইচ্ছে থাকে তাহলে ৪.১ এর উপরে না যাওয়াই উচিত। আমি আগের টিউটোরিয়ালে আনলক এবং জেইল ব্রেকের পার্থক্য বলেছি। আবার নতুন করে বলার ইচ্ছে নাই।
আইটিউন দিয়ে ওএস ৪.১ আপডেটের সময় শিফট বাট চেপে রিস্টোর কর এ বিষয়ে অনেক টিউটোরিয়াল পাবেন। যদি এর পরও কেউ না পারেন তাহলে পরে এক সময় এটি শিখিয়ে দেবো।
আপনার আপডেটের কাজ শেষ হলে জেইল ব্রেক করতে হবে।
জেল ব্রেক করার কাজে লাইম রেইন বা Limera1n নামে একটি সফটওয়ার ব্যবহার করবো আমরা। লাইম রেইন দিয়ে মোটামুটি সব আইওএস, আইফোন৪, আইফোন ৩জিএস, আইপড টাচ ৪জি, থ্রিজি, আইপ্যাডের ওএস ৪.১, ইত্যাদি ইত্যাদি জেইলব্রেক করা সম্ভব। আপাতত এটিই আমাদের প্রথম হাতিয়ার।
আরেকটি কথা, আপনার মডেম ফার্মওয়ার আপডেট করবেন না। মানে আইটিউন্স ব্যবহার করে সোজা ফার্মওয়ার আপডেট দিয়েছেন তো মরেছেন। তাহলে কি করবেন? যেটি আছে তাই জেল ব্রেক করতে হবে।
প্রথমেই http://limera1n.com/ এ ঢুকে উইন্ডোজের জন্য কিংবা দরকার হলে ম্যাকের জন্য লাইমরেইনটা নামিয়ে ফেলুন। ছোট একটি সফটওয়ার। সময় লাগবে না মোটেই।
ডেটা কেবল দিয়ে আপনার ডিভাইস কানেক্ট কর এবং লাইম রেইন চালান। ছোট একটি উইন্ডোতে আসবে make it rain, ক্লিক কর
এখানে আপনাকে DFU বা ডিপ ফার্মওয়ার আপডেট মোডে ঢুকতে হবে। অনস্ক্রিন নির্দেশনা পালন কর
যা আসবে সেটি বলে নেই এখানে। আবারো বলছি, এই অংশটুকু আপনি লাইম রেইনের স্ক্রিনেই পাবেন।
প্রথমে হোম এবং পাওয়ার বাটন চেপে ধরতে হবে।
তিন চার সেকেন্ড পর পাওয়ার বাটন ছেড়ে দিতে হবে। (হোম বাটন নয় কিন্তু)
এরপর বাকি কাজ সফটওয়ার শেষ করবে। আপনাকে জানান দেবে জেইল ব্রেক করা হয়েছে।
ফোন রিস্টার্ট দেওয়ার পর আপনি আপনার ফোনে লাইমরেইন নামে নতুন একটি আইকন পাবেন। সবুজ পানির ফোটার মত দেখতে হবে এটি।
এবার আপনার দরকার হবে ওয়াইফাই কানেকশন। কারন আপনার ফোনে এখনো কোন সিমকার্ড কাজ করছে না। তাহলে ওয়াইফাই-এ কানেক্ট করে আপনার ফোনে নতুন ইন্সটল করা লাইমরেইন ওপেন কর
যখন লাইম রেইন প্যাকেজ সিলেক্ট করতে বলবে, আপনার হাতে তখন আসলে একটাই অপশন। সাইডিয়া বা cydia। ওটাই সিলেক্ট কর
ওয়াইফাই দিয়ে সাইডিয়া ডাউনলোড হয়ে ইন্সটল হবে। অপেক্ষা কর আপানার ইন্টারনেট কানেকশনের স্পিডের উপর নির্ভর করবে কতক্ষন লাগবে। সাধারন ১০-১৫ মিনিটেই হয়ে যায়। স্পিড ভালো হলে ২-১ মিনিট।
সাইডিয়া ইন্সটল হয়ে গেলে আপনি চাইলে, লাইমরেইনে ঢুকে ওটা আনইন্সটল করে দিতে পারেন। কারন এটি আপনার আর দরকার নেই। আর চাইলে রেখেও দিতে পারেন।
আপনার ফোন জেইল ব্রেক হয়ে গিয়েছে।
এখানে এডভান্স ইউজারদের জন্য বলি, জেইল ব্রেকের জন্য আরো সফটওয়ার আছে, আপনারা চাইলে খুজে বের কর
শুধু জেইল ব্রেকেই আপনার হয়ে গেলে আপনি এখানেই পড়া শেষ করে দিতে পারেন। আপনি যদি আইফোনের জন্য নির্ধারিত ফোন কোম্পানীই ব্যবহার করতে চান কিন্তু হয়তো আপনার এপলের সাইন ছাড়া সফটওয়ার ইন্সটল করা দরকার তাহলে আপনার এই জেইল ব্রেক দরকার হবে।
কিন্তু আমরা যারা আইফোন আনলক করতে চাই, তাদের এই জেইল ব্রেকের পরও আরো কিছু কাজ বাকি আছে। জেইল ব্রেক করা হলো ফোন আনলক করার সফটওয়ার গুলো ইন্সটলের জন্য।
এজন্য আমাদের দরকার সাইডিয়া।
ওয়াইফাই কানেক্ট করে সাইডিয়া চালু কর
যাই দেখাক না কেন, নিচে দেখুন লেখা আএ সাইডিয়া, সেকশনস, চেঞ্জেস, ম্যানেজ এবং সার্চ।
ম্যানেজ ট্যাবে টাচ কর
এরপর দেখবেন লেখা আছে প্যাকেজেজ, সোর্সেজ, স্টোরেজ
সোর্সেজ এ টাচ কর
উপরে দেখুন টাচ করার দুটি জায়গা, ম্যানেজ এবং এডিট
এডিটে ক্লিক কর
উপরে বামে দেখুন ‘এড’
টাচ কর এবং ঠিকানু লিখুন http://repo666.ultrasn0w.com
কোন ভুল যেন না হয়। এড কর
এরপর সাইডিয়া বেশ কিছু কাজ করবে।
কাজ শেষ করে আল্ট্রাস্নো চালু কর
এবারে আপনি আপনার আইফোনে যেকোন সিম কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
স্যাম: অনেক সময় পুশ সার্টিফিকেটের জন্য ব্যাটারী ড্রেন আউট হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেজন্য আপনাকে স্যাম ইন্সটল করতে হবে। এটি আইফোনকে বিকল্প ভাবে এক্টিভেট করে দেবে। যেভাবে আল্ট্রাস্নো ইন্সটল করেছেন সেভাবেই স্যাম ইন্সটল করতে হবে। এজন্য এড সোর্স-এ গিয়ে http://repo.bingner.com এটি এড কর
‘SAM’ এবং ‘SAMPrefs’ ইন্সটল কর
এবার আইফোনের সেটিংস এ গিয়ে দেখুন ‘স্যাম’ পাবেন।
স্যামের সেটিংস এ গিয়ে “Revert Lockdownd to Stock” এ ক্লিক কর
শেষ হলে, আবার সেটিংস এ গিয়ে ‘De-activate iPhone’. সিলেক্ট কর
এর পর আবার এক্টিভেট কর
আশা করি পুশ সার্টিফিকেটের সমস্যা সমাধান হবে।
ধন্যবাদ।
যাদি এখানে কোন তথ্য ভুল থাকে দয়া করে জানাবেন আপডেট করে দেবো। আর নতুন কোন আইডিয়া থাকলেও জানাবেন।
আর এটি একটি পদ্ধতি। আইফোন আনলক করার জন্য অনেক অনেক সফট আছে। দয়া করে সব কিছু ভালো করে পড়ে কাজটি করার চেষ্টা করবেন। শুধু এই টিউটোরিয়াল নয়, যদি পারেন আরো আরো খুজে বের করে আবার পড়ুন। তার পর কাজে হাত দিন।
আমি এখানে দেখাতে চেষ্টা করেছি আইফোন আনলকের জন্য ধাপগুলো কি কি হবে। আমি নিজে এভাবে পাইনি, অনেক পড়ে বুঝে তারপর করতে পেরেছি। আপনি এখন জানের ধাপগুলো কি কি। তাই ওই সব ধাপ নিয়ে আরো পড়ুন দয়া করে।
শেষ বার বলছি,
১. ওএস আপডেট। আপনার ফোনে লেটেস্ট ওএস থাকলে ওএস আপডেট দরকার নেই। মডেম ফার্মওয়ার আপগ্রেড করবেন না।
২. জেইল ব্রেকের জন্য আমরা ব্যবহার করেছি লাইম রেইন। এছাড়াও আরো আছে, যেমন গ্রীন পয়জন
৩. জেইল ব্রেক হয়ে গেলে সাইডিয়া দিয়ে আল্ট্রাস্নো।
৪. এরপর স্যাম দরকার তখনই যদি আপনি ব্যাটারী ডেনেজ সমস্যায় পড়েন নাহলে নয়।
সব শেষে বলছি, যাই কর নিজের চেষ্টায় এবং নিজের দায়িত্বে কর ছবি দিতে পারলাম না। তবে যতটুকু পেরেছি বর্নণা করেছি।
আপডেট: ৩ এপ্রিল ২০১১
আজকে ব্রাউজ করতে গিয়ে টেকটিউনেও দেখলাম আনলক নিয়ে কথা বার্তা। চাইলে দেখতে পারেন।http://techtunes.com.bd/mobileo/tune-id/59870
আপডেট ৪, ৯ই জানুয়ারী ২০১২
আইফোন ৩জিএস, ৪, আইপড টাচ ৩জি এবং ৪ জি এবং আইপ্যাড ১ এর ওএস ৪.৩ এর জেল ব্রেক এখন চাইলে jailbrealMe.com এ গিয়ে করে নিতে পারবেন। এতে আপনার কোন পিসির দরকার হবে না।
জেইল ব্রেক এবং আনলক বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে পারেন:
http://blog.iphone-dev.org/
http://jailbreakqa.com/
http://www.iclarified.com/
http://modmyi.com/jailbreak/

   
   

0 responses on "আইফোন এর আই ক্লাউড অপশন ভূলে গেলে কি করবো?"

Leave a Message

Certificate Code

সবশেষ ৫টি রিভিউ

eShikhon Community
top
© eShikhon.com 2015-2022. All Right Reserved