আবারো শুরু হয়েছে প্রো-অফার! নামমাত্র মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করুন ঘরে বসেই। বিস্তারিত

Pay with:

ইংরেজি শিক্ষা – প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত পার্ট – 39

ইংরেজি শিক্ষা | শ্রমিকদের পাওনা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের
Govt must ensure garment workers’ payment
.২০ রোজার মধ্যে ঈদ বোনাস ও ঈদের ছুটির আগে চলতি মাসের বেতন পরিশোধে সরকারি নির্দেশনা ছিল।
The government has issued directives for the Eid bonus and the current month’s wages to be paid within 20 Ramadan.
ইংরেজি শিক্ষা | গত মে মাসে পোশাকশিল্পসহ অন্যান্য শিল্প-কারখানার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় গঠিত ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট-বিষয়ক কোর কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
This was decided last May at a meeting of the crisis management core committee formed to look into the situation of the readymade garment and other industries.

ইংরেজি শিক্ষা | শ্রম প্রতিমন্ত্রীও অনুরূপ আশ্বাস দিয়েছিলেন।
The state minister for labour gave a similar assurance.
সেই ২০ রমজান গত হয়েছে দুই দিন হলো। কিন্তু বরাবরের মতো এবারও ঈদের আগে বেতন-বোনাসের জন্য হাহাকার করতে হচ্ছে অনেক কারখানার শ্রমিককে।

Two days have passed since 20 Ramadan, but as usual a large number of workers are yet to be paid.
রোববারের প্রথম আলোর সংবাদে প্রকাশ, ঠিক কত শতাংশ কারখানায় বোনাস দেওয়া হবে এবং হয়েছে, তা পরিষ্কার করে জানাতে পারেনি পোশাকশিল্পের পুরোধা দুই সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ।

According to Prothom Alo this Sunday, the two apex organisations of the garment industry, BGMEA and BKMEA, failed to specify in what percentage of factories bonus were paid.

তারা ৭০ শতাংশ কারখানায় বোনাস দেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোতেও দেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছে।
They have assured us of 70% and rest of them payed soon.
কিন্তু বাস্তবে কারও কাছে পূর্ণাঙ্গ তথ্য নেই।
.But No one has any detailed information.
শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, মাত্র ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কারখানা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পেরেছে।
The labour organisations claim that only 25 to 30 percent of the factories have kept their commitment.
তা ছাড়া, চলতি মাসের বেতন ঈদের আগেই দেওয়ার প্রশ্নটাও একই রকম অনিশ্চিত।

And payment of this month’s wages before Eid remains uncertain.
.গত বছরও এ রকম অনিশ্চয়তা ও অপ্রাপ্তি নিয়ে ঈদ করতে হয়েছে অনেক শ্রমিক পরিবারকে।
Last year too many families of the garment sector workers had an uncertain and unfulfilled Eid.
দিন যায় কিন্তু তাঁদের দেওয়া কথা কেউ রাখে না।
However , time has finished but nobody execute their commitment .
সাবালক ও পরিপুষ্ট হয়ে ওঠা পোশাকশিল্প খাতে সুশাসন কি আসবে না?
Will good governance not prevail in this flourishing sector?

কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, দেশে ৪ হাজার ৮০৯টি পোশাক কারখানা আছে।
According to the the Industry and Organisation Inspection Department , there are 4809 garments in the country.
এত কারখানা পরিদর্শনে সরকার বা অন্য কোনো সংস্থার উপযুক্ত লোকবল তৈরি করা হয়নি।

The government, or any other agency, has failed to create qualified manpower to carry out proper inspection in the sector.

অথচ এসব কারখানার শ্রমিকদের মেহনতেই পোশাকশিল্প দেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার উৎস!
Yet these toiling workers are the major source of the country’s foreign exchange.
এখনো সময় আছে।
There is still time.
সক্ষম কারখানাগুলোকে বাধ্য করতে হবে এবং যারা দুর্বল তারা আংশিক নিজস্ব লাভ থেকে এবং আংশিক ঋণ নিয়ে ঈদের আগেই শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করতে পারে।
The factories which are able must be made to pay dues.
and The weaker factories must cut into their profits as well as take loans to make the payments before Eid.
একমাত্র সরকার কঠোরভাবে উদ্যোগী হলেই লাখো শ্রমিক পরিবারে ঈদ আনন্দ নিয়ে হাজির হবে, নচেৎ নয়।

It is only the government that can ensure that the workers will have a joyful Eid ahead.

আমাদের অন্যান্য সেবাঃ
ডোমেইন হোস্টিংঃ http://hostbelt.com

লাইভ কোর্স অফারঃ https://eshikhon.com.bd/pro-offer/

   
   

0 responses on "ইংরেজি শিক্ষা - প্রথম আলো থেকে সংগৃহীত পার্ট - 39"

Leave a Message

Certificate Code

সবশেষ ৫টি রিভিউ

eShikhon Community
top
© eShikhon.com 2015-2022. All Right Reserved