আবারো শুরু হয়েছে প্রো-অফার! নামমাত্র মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করুন ঘরে বসেই। বিস্তারিত

Pay with:

প্রথম আলোর সম্পাদকীয় (০৬/০৩/২০১৬)

একতরফা ইউপি নির্বাচন
One-sided UP election

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন যেন এক দায়সারা, নিষ্ক্রিয় ও নির্বিকার ভূমিকা পালনের অবস্থান নিয়েছে।
The Election Commission has taken up a negligent, inactive and careless attitude concerning the Union Parishad (UP) elections.

নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া নিয়ে নানা অভিযোগ ও বাস্তব পরিস্থিতিকে তারা কার্যত বিবেচনার বাইরে রাখছে।
They are paying no heed to the innumerable complaints and the situation on ground regarding nomination paper submissions.

ইউপি নির্বাচন নিয়ে অতীতে যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল তা কার্যত প্রাণহীন, একতরফা ও জবরদখলের নির্বাচনে পরিণত হতে চলেছে।
The past enthusiasm and excitement of the UP election is no longer there. It is becoming a lifeless and one-sided affair.

এবারই প্রথম ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা রাজনৈতিক মনোনয়নে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন।
For the first time the UP chairmen are being politically nominated for the election.

কিন্তু প্রথম দফার ভোট গ্রহণের আগেই দেখা গেল ৭৩৮টি ইউপির মধ্যে ৬৬টিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
But even before the first phase of voting, ruling Bangladesh Awami League candidates are being elected uncontested in 66 Union Parishads (union councils) out of the 738 in the first phase.

১১৪টি ইউপিতে বিএনপির কোনো প্রার্থী নেই।
The Bangladesh Nationalist Party (BNP) has no candidates in 114 UPs.

কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করছে না, কিন্তু এরপরও কেন এমন হচ্ছে, তা বিবেচনায় নেওয়ার দায় যেন নির্বাচন কমিশনের নেই।
No political party is boycotting the election, yet the election commission is not looking into why the situation is so.

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভয়ভীতি, চাপ ও হুমকি রয়েছে—এমন অভিযোগ নির্বাচন কমিশন আমলে নিচ্ছে না।
It is not taking into consideration the allegations of coercion and threats to prevent aspirants from submitting nomination papers.

দ্বিতীয় দফায় ৬৪৭ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনেও মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে দেখা গেল ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদে শুধু আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা রয়েছেন।
In the second phase of the union parishad election too, there are only AL candidates in 13 of the 647 posts.

৬৩টিতে বিএনপির প্রার্থী নেই।
There are no BNP candidates in 63 seats.

ফেনীর পরশুরামের তিনটি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
In Parshuram of Feni, chairmen are being elected uncontested in three unions.

কীভাবে প্রার্থীদের জোরজবরদস্তি করে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখা হয়েছে, তার বিবরণ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
The media is replete with reports on how the election aspirants are being forcefully held back from the contest.

টের পাওয়া গেছে পুলিশের অসহায়ত্ব।
Even the police are unable to do anything.

আগের পৌরসভা নির্বাচনে সেখানে একই দশা হয়েছিল।
It was the same in the case of the municipal polls there.

এটা কি স্বাভাবিক কোনো ঘটনা হতে পারে?
Is this certain an abnormal situation?

এদিকে অতীতের চেয়ে এবারের ইউপি নির্বাচনে বেশি সহিংসতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
There is fear of even more violence during this UP election.

বিভিন্ন স্থানে এর কিছু আলামতও দেখা যাচ্ছে।
There are signs indicating this already.

একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব ক্ষমতা দেওয়া আছে।
The election commission has all authority to ensure a free, fair and credible election,

কিন্তু নির্বাচন কমিশন ধারাবাহিকভাবে তার ক্ষমতা ব্যবহার থেকে বিরত থাকছে এবং এর মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির অক্ষমতাই দিনে দিনে স্পষ্ট হচ্ছে।
But it simply neglects exerting its authority, the institution’s inefficacy is becoming more and more apparent.

নির্বাচন ও নির্বাচনী ব্যবস্থাকে অকার্যকর করার দায় নির্বাচন কমিশনকেই বহন করতে হবে।
It is the Election Commission that must bear the blame for the ineffective election and election system.

   
   

0 responses on "প্রথম আলোর সম্পাদকীয় (০৬/০৩/২০১৬)"

Leave a Message

Certificate Code

সবশেষ ৫টি রিভিউ

eShikhon Community
top
© eShikhon.com 2015-2022. All Right Reserved