আবারো শুরু হয়েছে প্রো-অফার! নামমাত্র মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করুন ঘরে বসেই। বিস্তারিত

Pay with:

প্রথম আলো সম্পাদকীয় (০৯-০৩-২০১৬)

আরেকটি মাইলফলক রায়, আইনের শাসনের জয়
Another milestone Verdict, Victory to the Rule of Law.
মীর কাসেমের ফাঁসি বহাল
Death Penalty of Mieer Quasem Upheld

=
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায় সর্বোচ্চ আদালতে বহাল থাকার ঘটনায় জাতি কলঙ্কমুক্ত হওয়ার পথে আরও একটি ধাপ অতিক্রম করল।
The nation has made another step to emancipate itself from the stigma by the verdict of the Supreme Court (SC) that has upheld the death penalty of central leader of Jammat-e- Islamai, Meer Quasem Ali who was alleged for the crime against humanity in 71.
মীর কাসেম এমন একজন যুদ্ধাপরাধী, যাঁর পক্ষে দেশ-বিদেশে বড় রকমের প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতা ছিল।
Meer Quasem is such type of war criminal who possessed the authority to influence home and abroad.
তাই তাঁর বিচার-প্রক্রিয়ার দিকে সচেতন মহলের সন্দিগ্ধ নজরদারি ছিল।
Therefore, in his trial process, a guarded inspection of the “ALERT GROUP” was constantly there.
ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তিনি কেবল একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ সংঘটনেই নন, তিনি সব চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীকে বিচার থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে বিশাল অর্থনৈতিক ও মিডিয়া পরিমণ্ডল গঠনে মুখ্য কুশীলবের ভূমিকা রাখেন।
As the founder president of Islami Chatra Shibir, he committed not only war crime but played a vital role in establishing a huge financial and media spherical to keep out all the war criminals from the trial procedure.
মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিষয় নয়।
The Trial of ‘Crime against Humanity’ is not a matter of a person or a group.
এ ধরনের ঘাতকেরা বিশ্বমানবতার শত্রু।
These types of killers are the enemy to the universal humanity.
তাই আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার শর্ত পূরণে তাঁদের শাস্তি হওয়া দরকার ছিল।
So, punishment was required to fill the condition of the establishment of the rule of law and right justice.
সর্বোচ্চ আদালত তাঁর ফাঁসির রায় বহাল রাখায় ইতিহাসের বোঝা আরও কিছুটা লাঘব হবে।
As the apex court has sustained the death sentence, the burden of history will somewhat be lessen.
এ রায়ে শহীদ পরিবার ও ভুক্তভোগী স্বজনদের মনোবেদনাকে আরও কিছুটা প্রশমিত করবে।
This verdict will be a bit of ease for the mental agony of martyr family and their relatives.
ন্যায়বিচার করা কোনোভাবেই প্রতিশোধ বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে আইনবহির্ভূতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা নয়।
Justice is not to revenge or to make illegally suffer to the political-opponent.
চট্টগ্রামের মানুষের জন্য এই দণ্ড অধিকতর তাৎপর্য বয়ে এনেছে।
The verdict has conceded much significance for the people of Chittagong.
কারণ, একাত্তরে চট্টগ্রামের ডালিম হোটেলকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হতো সেখানকার মানবতাবিরোধী অপরাধ, যার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন আলবদর নেতা মীর কাসেম আলী।
Because crime against humanity in ’71 was operated centering the “DALIM -HOTEL” in Chittagong and Al-Badar leader Meer Quasem Ali who was the warden.
সে কারণে তাঁর পরিচয় হয়েছিল ‘বাঙালি খান’।
For that reason, he was recognized as the “Bangali Khan”
মীর কাসেমের স্ত্রী খন্দকার আয়েশা খাতুন ‘প্রধান বিচারপতিকে মন্ত্রীদের হুমকি’ ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেও রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন।
Despite challenge on ministers’ threat towards “the Chief Justice” and the freedom of judiciary, Aeysha Khatun, Meer Quasem Ali’s wife, has articulated her inclination for a review.
যদি কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকে, তাহলে সেটা তাঁরা নিশ্চয়ই আদালতের নজরে আনবেন।
If they have any information or testimony, they ought to bring it before COURT.
কিন্তু জামায়াত যথারীতি ‘ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে হরতাল ডেকেছে, যেটি নিন্দনীয়।
But, Jamaat customarily called for a strike as a protest blaming it (the verdict) to be a conspiracy.
জামায়াতকে এই অমোঘ সত্য মানতে হবে যে তারা ইতিহাসের চাকা পেছনে ঘোরাতে পারবে না।
Jamaat has to admit the absolute truth that it cannot whirl the wheel of history.

   
   

0 responses on "প্রথম আলো সম্পাদকীয় (০৯-০৩-২০১৬)"

Leave a Message

Certificate Code

সবশেষ ৫টি রিভিউ

eShikhon Community
top
© eShikhon.com 2015-2022. All Right Reserved