কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা, আটকে আছে চার শতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অচলাবস্থা প্রতিদিন বাড়ছে। ভিসি নেই এক মাসের বেশি সময় ধরে। নেওয়া হচ্ছে না ভর্তি পরীক্ষা। এতে ঝুলে আছে ৫৫ হাজার শিক্ষার্থীর ভাগ্য। এদিকে আটকে গেছে চার শতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতা।

সূত্র জানায়, গত বছরের ১৭/১৮ নভেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তিপরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। শিক্ষকদের দ্বন্দ্বে আটকে যায় সেই পরীক্ষা। এতে শিক্ষার্থীদের পড়তে হবে বড় ধরনের সেশনজটে। এদিকে গত ২ ডিসেম্বর অবসরে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আলী আশ্রাফ।

এরপর দীর্ঘ এক মাসের বেশি সময় ধরে নতুন ভিসি যোগদান করেননি। তাছাড়া প্রো-ভিসির নতুন পদ সৃষ্টি হলেও সেই পদেও আসেননি কেউ। ট্রেজারের পদও শূন্য। পদগুলো শূন্য থাকায় ১৮০ শিক্ষক, ৬৬ কর্মকর্তা ও ১৮৪ কর্মচারীর বেতন আটকে আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মচারী জানান, বড় স্যারদের বিষয় ভিন্ন। আমরা সময়মতো বেতন না পেলে ধার দেনায় পড়ে যেতে হয়। ১ তারিখ বেতন পেতাম, এখন ৭ তারিখ।

কবে ভিসি স্যার আসবেন আর বেতন পাবো জানি না। সচেতন নাগরিক কমিটি কুমিল্লার সভাপতি বদরুল হুদা জেনু বলেন, ‘ভর্তি পিছিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা সেশনজটে পড়বে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অচলাবস্থা দুঃখজনক। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।’ বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘মঞ্জুরী কমিশন সচিব বরাবর এ সব বিষয় নিরসনে আবেদন জানিয়েছি। ভিসি স্যার যোগদান করলে সমস্যাগুলো কেটে যাবে বলে আশা করছি।’

 

 

আরো পড়ুন:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্যের মেয়াদে ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে না

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য

Leave a Reply