নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসন

সুশাসনের উপাদানগুলো প্রতিষ্ঠার উপায়

ক. সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ করা।

খ. মিডিয়া ও সংবাদ মাধ্যমের উপর সরকারি হস্তক্ষেপের অবসান ঘটানো।

গ. সহিংসতা দূর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা।

ঘ. জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতার নীতি প্রতিষ্ঠা করা।

ঙ. স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তোলা।

চ. নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ।

ছ. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

জ. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ।

ঝ. দুর্নীতি দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।

ঞ. কার্যকর ও সার্বভৌম আইনসভা প্রতিষ্ঠা।

ট. দারিদ্র্য দূরীকরণে সময়োপযোগী কর্মপন্থা নির্ধারণ ও প্রয়োগ।

ঠ. জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ।

ড. স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালীকরণে উদ্যোগ গ্রহণ।

ঢ. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও প্রসার ঘটানো।

ণ. জনস্বার্থকে প্রাধান্য প্রদান।

জাতীয় উন্নয়নে সুশাসনের প্রভাব :

সুশাসন সমাজ ও রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা দূর করতে সাহায্যে করে।
সুশাসনের মাধ্যমে নাগরিক অধিকার আদায়ের প্রতিবন্ধকতা দূর করা সম্ভব হয়।
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সুশাসনের বিকল্প নেই।
সুশাসন সামাজিক সম্প্রীতি গড়ে তোলে।
সুশাসন জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে।
সুশাসনই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নিশ্চয়তা প্রদান করতে পারে।
সুশাসন রাষ্ট্রের শাসক, শাসিত ও সুশীল সমাজের মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে।
জাতীয় জীবনে সমৃদ্ধি আনয়ন করে।
কোন সরকার ভাল কি মন্দ তা সুশাসনের মানদেণ্ড নির্ধারণ হয়ে থাকে।
সুশাসন নাগরিক অধিকারকে অধিক গুরুত্ব দেয় এবং কোন কারণেই যেন অধিকার খর্ব না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখে।
সুশাসন দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
সুশাসন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনগণকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্পৃক্ত করে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে নির্দেশনা প্রদান করে।
সুশাসনের প্রভাবে স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার শক্তিশালী হয়।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা র মাধ্যমে ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণ ও জাতীয় সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
সুশাসন জাতীয় উন্নতিকে বাধামুক্ত রাখতে সহায়তা করে।
সুশাসনের প্রভাবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন, জাতীয় ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়।
সুশাসনের প্রভাবে জাতীয় উন্নয়ন সুশৃঙ্খলভাবে অর্জন করা সম্ভব হয়।

এই লেকচারের পরের পেইজে যেতে নিচের …. তে ক্লিক কর।

Leave a Reply